include_once("common_lab_header.php");
Excerpt for Adding 15 Years To Our Life, Can We? Yes! We Can!!: 1980 Medicine is by , available in its entirety at Smashwords

সূচীপত্রঃ

ভূমিকা

১৫ বছর আয়ু বৃদ্ধির উপায়

প্রথম কারণঃ ধূমপান

দ্বিতীয় কারণঃ বাড়তি ওজোন

তৃতীয় কারণঃ ব্যায়ামের অভাব

চতুর্থ কারণঃ রক্তচাপ

পঞ্চম কারণঃ রক্তে শর্করার পরিমাণ

ষষ্ঠ কারণঃ হৃদযন্ত্র

সপ্তম কারণঃ উচ্চ কোলেস্টেরল

অষ্টম কারণঃ ক্যান্সার

নবম কারনঃ বাত

দশম কারণঃ ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাত্রা



ভূমিকা

বর্তমানে জীবনের মেয়াদ কত? বিগত ৭০ বছরে ভারতবর্ষে জীবনের মেয়াদ বেড়ে ১০০ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। বর্তমান বছর ২০১৮-, ১০টি এমন উপকরণ আছে যা সাধারণ মানুষের ৬৫ বছরের জীবনের মেয়াদে আরও ১৫-৩০ সুস্থ বছর যোগ করে দিতে পারে। বিগত ৭০ বছরে (স্বাধীনতার পর থেকে), আমরা সফলভাবে মানুষের আয়ু ৩০ বছর থেকে ৭০ বছরে আনতে পেরেছি যা দ্বিগুনের থেকেও বেশি।

১৯৮০ সালে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ যা এখন অপ্রচলিত হলেও সেই ওষুধ ১৮৮০ সালের মানুষের কাছে অলৌকিক ঘটনা ছাড়া অন্য কিছু ছিল না।

বর্তমানে USA-এর জীবনের মেয়াদ ৮৫ বছর।

১০টি উল্লিখিত উপকরণ আমরা নিয়ন্ত্রণ করে নিতে পারলে, আমরা সহজেই ৮৫ বছরের সুস্থ জীবন অর্জন করতে পারব।



১৫ বছর আয়ু বৃদ্ধির উপায়

আমার এই বইএর মূল উদ্দ্যেশ্য হল মানুষের জীবনের মেয়াদ ৬৫ বছর, যা বর্তমানে ভারতবর্ষের গড় আয়ু, তার থেকে ৮৫ বছর করে তোলা, অর্থাৎ প্রায় ২০ বছর আয়ু বৃদ্ধি করা। এটি খুব সহজেই বর্তমানে ভারতবর্ষে উপস্থিত চিকিৎসা জ্ঞান এবং প্রযুক্তি দ্বারা মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব।

আমার এই বইতে আমিদরিদ্র মানুষের ব্যাপারে কথা বলব না, যাদের কাছে সম্পদ সীমিতঅথবা, ধনী ব্যক্তিদের সম্বন্ধে কথা বলব না, যাদের কাছে অপরিসীম সম্পদ রয়েছে। আমার এই বইটি খুব শীঘ্রই অন্যান্য ভাষা যেমন হিন্দি, গুজরাতি, কানাডা, মালায়লাম, মারাঠি, ওড়িয়া, তামিল, তেলেগু এবং উর্দু তে পাওয়া যাবে।

একটি তথ্য এখানে বোঝা অত্যন্ত জরুরী যে পরিবেশের অবনতি অথবা বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস জাতিয় রোগের প্রভাব বেড়ে গেলেও মানুষের আয়ু এখন আগের তুলনায় অনেক অংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।এছারাও আমি প্রসঙ্গত উল্লেখ করতে চাই যে আমাদের জৈব জীবনের মেয়াদ ১২০ বছর। জেইন ক্যালমেনট নামের এক ব্যাক্তি ১২০ বছর বেঁচে ছিলেন। ওনার জন্ম ১৮৭৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯৯৭ সালে।

আমাদের দুটি পরিভাষা সম্পর্কে জানতে হবে, একটি হল মানুষের “গড় আয়ু”, যা ভারতবর্ষে বর্তমানে ৬৮ বছর। অর্থাৎ, সাধারন একজন মানুষ গড়ে ৬৮ বছর বেঁচে থাকেন। অন্য পরিভাষাটি হল ‘জন্মের সময়ের আয়ু’ অর্থাৎ আজ যে শিশুর জন্ম হবে তার গড় আয়ু কত হবে।

হাজার বছর আগে, বিশ্বে জন্মের সময়ের আয়ু গড়ে ২৫ বছর ছিল। কিন্তু, বর্তমানে তা বিশ্ব জুড়ে গড়ে ৬৫ বছর হয়েছে। আমেরিকাতে আজও ৭০,০০০ এর অপর মানুষের বয়শ ১০০ বছরের উর্ধে। এই তথ্য আমেরিকার সর্বচ্চো স্তরের চিকিৎসা কেন্দ্র CDC(সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশান) থেকে সংগৃহীত।

আমেরিকার গড় আয়ু ৮০ থেকে ৮৫ বছর। বর্তমানে, পৃথিবীতে সব থেকে বেশি গড় আয়ু জাপানে। কোনোভাবে জানা যায়েনি যে কোন বিশেষ কারণে জাপানে গড় আয়ু সব থেকে বেশি।

যেকোনো দেশের গড় আয়ু যখন বৃদ্ধি পায়ে, তা সেই দেশের সাস্থ্যসেবার অগ্রগতির জন্যে হয়ে থাকে। এছারাও, পরোক্ষভাবে,এটি সেই দেশের সামগ্রিক সমৃদ্ধি প্রতিফলিত করে।

অতএব, এই বইটি ১০টি কারণের অপর আলোকপাত করবে যা মানুষের ৮৫ বছরের সুস্থ জীবনের মেয়াদ অর্জন করতে সাহাজ্য করবে। ঊক্ত ১০টি কারণ বা উপকরণ পরের অধ্যায়ে বর্ণনা করা হল।



প্রথম কারণঃ ধূমপান

(বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কোন প্রেসক্রিপশানের ওষুধ শুরু করার আগে সর্বদা আপনার পারিবারিক চিকিতসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।)

যখন আমরা ধূমপান করা বর্জন করি, আমাদের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস এর আয়ু প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর বৃদ্ধি পায়ে। ধূমপান বর্জন করলে আমাদের ব্যাক্তিগত জীবনে বৈবাহিক আয়ু ও পারিবারিক আয়ুও বৃদ্ধি পায়ে।

ধূমপান একটিঝুঁকিপূর্ণ নেশা। এর ফলে দেহের ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। ধূমপানের জন্য হৃদরোগ এবং ফুসফুসে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি থাকে। এছারাও দেহে আরও বিভিন্ন রোগ দেখা যেতে পারে ধূমপানের ফলে, যা অবিশ্বাস্য। কিন্তু, ধূমপান বেশি দিন ধরে চলতে থাকলে সব থেকে বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে

আমেরিকার বিভিন্ন স্তরের ডাক্তাররা একত্রভাবে ওই দেশে ধূমপান বন্ধ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওনাদের প্রচেষ্টায় আজকের তারিখে আমেরিকাতে সিগারেট কেনা অথবা ধূমপান করা প্রায় বেআইনি হয়ে উঠেছেআমেরিকায় বর্তমানে পরিস্থিতি এমন হয়েছে যেখানে ধূমপান করতে ইচ্ছুকব্যক্তিকে ডাক্তারএর লিখিত প্রেসক্রিপশানএর প্রয়োজন পরবে।

আমরা ধূমপান বা সিগারেট সেবনকে এতটাই সহজ ভাবে গণ্য করি যেমন আমরা Coca-Colaসেবন করে থাকি। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত, দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। ধূমপান মানুষের হৃদপিণ্ডের বিশেষ ক্ষতি করে থাকে। এর প্রভাবে হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচল রোধ হয়ে যায়ে। যদি কোন ব্যাক্তির হৃদযন্ত্রে কোন সমস্যা থেকে থাকে, ধূমপান সেই সমস্যাকে বহুগুণে বাড়িয়ে তুলতে পারে অনেক কম সময়।

অবশ্যই, আমরা এই তথ্য অগ্রাহ্য করতে পারিনা, যে ধূমপানের প্রভাবে ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। এছারাও শরীরে আরও বিভিন্ন রোগের উদ্ভব হয়ে থাকে ধূমপানের ফলে।

বর্তমানে, শাহরুখ খান, অজয় দেবগান, সলমান খান, আমির খান এবং আরও বিভিন্ন তারকাদের ধূমপান করতে দেখা যায়ে। এই সমস্ত তারকারা বহু যুবক-যুবতীর পছন্দের মানুষ এবং যুব সমাজ এই সকল তারকাদের অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ফলে তারা ধূমপান করে থাকে। কিন্তু তারা জানেনা এই সকল তারকারা কত কষ্ট করছেন ধূমপান ছেড়ে দেবার জন্য।

দরিদ্র অথবা ধনী – ধূমপানের ঝুঁকি সকলের শরীর অসুস্থ করার আশঙ্কা বৃদ্ধি করে।



দ্বিতীয় কারণঃ বাড়তি ওজোন

(বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কোন প্রেসক্রিপশানের ওষুধ শুরু করার আগে সর্বদা আপনার পারিবারিক চিকিতসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।)

বাড়তিওজোনমানুষেরশরীরেরপক্ষেশুধুমাত্রক্ষতিকরতানয়, এটিরফলেমানুষেরজীবনেরমেয়াদবাআয়ুঅনেককমেযায়ে

তাহলে, আমরা কি করে জানব যে আমাদের কখন ওজোন বৃদ্ধি হয়ে যাচ্ছে?

আজকের তারিখে, কারুর দেহের গড়ন দেখে তাকে মেদবহুল বা মোটা বলার চলন নেই। বর্তমানে, কারুর ওজোন বৃদ্ধি পাচ্ছে কিনা তা চিকিৎসা পেশাএ মাপার একমাত্র উপায় বডি মাস ইনডেক্স (BMI)যাশরীরেরদৈর্ঘ্য, ওজোন এবং সূত্রের দ্বারা মাপা হয়।

বর্তমানে, অ্যাপেল এবং অ্যানড্রএড ফোনে বডি মাস ইনডেক্স মাপার অ্যাপ্লিকেশান থাকে। এই সমস্ত অ্যাপ্লিকেশান এর মাধ্যমে শরীরের দৈর্ঘ্য এবং ওজোন সঠিক ভাবে লিখলে, বডি মাস ইনডেক্স মাপা যায়ে।

সাধারণ বডি মাস ইনডেক্স হল ১৮ থেকে ২৫ এর মধ্যে’

যদি কারুর শারীরিক গুণক বা বডি মাস ইনডেক্স ১৮ এর থেকে কম হয় তবে তার ওজোন কম বলে গণ্য করা হবে। সেই ক্ষেত্রে তার অপুষ্টি জনিত রোগ অথবা পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব রয়েছে।

জ্বর বা গ্যাস্ট্রোন্টেরোলজিবিপত্তির ক্ষেত্রে এই সকল মানুষেরা সর্দি-কাশির মত রোগে আক্রান্ত হলে প্রথম কিছু দিন দুর্বলভাবে তা যুঝতে পারে। কিছু কিছু চিকিৎসা বিজ্ঞানএর পরিভাষা আছে যা এক্ষেত্রে জানার প্রয়োজন।

যদি আমাদের বডি মাস ইনডেক্স অথবা দেহের ভর সূচক ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকে তবে আমরা সেই ব্যক্তিকে অতিরিক্ত ওজোন বলে ডাকি। অথবা, অন্য কথায়, যদি শারীরিক ভর সূচক বা বডি মাস ইনডেক্স যদি ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকে তবে আমরা তাকে চিকিৎসা শাস্ত্রে ‘স্থূলতা’ বলে থাকি।

চিকিৎসা শাস্ত্রে বলা হয়ে থাকে যে কোন ব্যাক্তির বডি মাস ইনডেক্স ৪০ এর মাত্রা ছাড়ালে তাকে জরুরী চিকিৎসার অধীনে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ তার চিকিৎসা শীঘ্রই শুরু করতে হবে এবং যেকোনো চিকিৎসার পদ্ধতিতে অথবা শল্য চিকিতসার মাধ্যমে তাদের বডি মাস ইনডেক্স ৪০ এর মাত্রার নিচে আনতে হবে। সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঔষধ বা বারিয়ার্ত্রিক শল্য চিকিৎসার সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

আমরা গড়ে আমাদের বডি মাস ইনডেক্স ২২ এ নিয়ে যেতে পারি অথবা ২২ পর্যন্ত তা সুস্থতার মাপকাঠি হবে। কিন্তু তার ওপরে এই সূচক উঠে গেলে তা ভাল হবে না। সাধারণভাবে যাদের শারীরিক এই সূচক গড়ে ১৮ থেকে ২৫ এর মধ্যে থাকে, তাদের পক্ষে জীবনের মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব।

আমার নিরীক্ষণ অনুযায়ী, আমাদের বয়স ৩০ এর উর্ধে হয়ে গেলে, আমাদের জীবন যাত্রার কিছু পরিবর্তন হয়, যার ফলে আমাদের শারীরিক ওজোন বৃদ্ধি হতে থাকে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরও বর্ধিত ওজোনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে থাকে। কয়েক বছর অন্তর অন্তর শারীরিক এরকম পরিবর্তন হতে থাকে। আমাদের শরীর এই পরিবর্তন কে গ্রহণ করে তা বজায় রাখার চেষ্টা করে।

বিগত হাজার বছরের বিবর্তনে এটা প্রমাণিত যে, মানুষের শরীরে মেদ, শক্তি বা এনার্জি রূপে জমা থাকতো। এর মূল কারণ ছিল, তৎকালীন মানুষেরা খাদ্যের সন্ধানে থাকতো যা অতি কষ্ট করে তাদের উপার্জন করতে হত অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে বহুদিন যাবত তাদের খাদ্যের সন্ধান পাওয়া যেত না। কিন্তু যখন তারা পরিমাণমত অক্সিজেন এবং জল পেয়েছে তখন তারা বেঁচে থাকে।

অতিরিক্ত ওজোন কেন আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং আমাদের জীবনের মেয়াদ বৃদ্ধি রোধ করে?

আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার মাথায় রাখা প্রয়োজন। আমাদের বিগত হাজার বছরের বিবর্তনে দেখা যায়ে মানুষ জন্মের সঙ্গে সঙ্গে কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। যেমন, রক্তচাপ, শরীরের তাপমাত্রা, রক্তে শর্করার মাত্রা, শরীরের ওজোন এবং রক্তে pH এর মাত্রা – উক্ত বৈশিষ্ট্য গুলি স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে রাখার চেষ্টা করা উচিত। মানুষ যত এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে রাখতে পারবে, তত মানুষ শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবে। যত এই বৈশিষ্ট্যগুলি স্বাভাবিক মাত্রার বাইরে চলে যায়ে, মানুষের শারীরিক পরিবর্তন হতে থাকে এবং জীবনের মেয়াদ কমতে থাকে।

স্থূলতা মানুষের শরীরে উক্ত রোগগুলির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়ঃ

) ডায়াবেটিস

) রক্তচাপ

) বাত

যদি আমাদের শরীরের ওজোন স্বাভাবিকের থেকে ১০কেজি বেশি হয়, তাহলে আমাদের সিঁড়ি চড়তে অসুবিধা হয়। এছাড়াও, অতিরিক্ত ওজোনের জন্য মানসিক অসুস্থতা বাড়ে। যদিও আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই উক্তি মানিনা। আমার মতে, মানুষ সুস্থ থাকলে মানুষের ওজোন অতিরিক্ত হলে কোন মানসিক অশান্তি হবার কথা নয়।



তৃতীয় কারণঃ ব্যায়ামের অভাব

(বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কোন প্রেসক্রিপশানের ওষুধ শুরু করার আগে সর্বদা আপনার পারিবারিক চিকিতসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।)

চিকিৎসা পেশার উচ্চ পদস্থান ডাক্তারদের মতে, ব্যায়াম বা শরীর চর্চার অভাবে মানুষের জীবনের মেয়াদ কমে যেতে পারে।

আমাদের বর্তমানে জীবনযাত্রা এমন হয়েছে, যেখানে আমাদের শারীরিক কার্যকলাপ অনেক কম হয়। আমাদের জীবনে মূল পরিবহণের মাধ্যম গাড়ি এবং বেশিরভাগ অফিসে কম্পিউটার এর সামনে বসে কাজ। যার ফলে মানুষ রোজকার জীবনে বেশিরভাগ সময় কোন শারীরিক কার্যকলাপ ছাড়াই কাটিয়ে দেয়।


Purchase this book or download sample versions for your ebook reader.
(Pages 1-11 show above.)